অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া সস্তা বিমান টিকিট এবং সেরা ডিল বুক করুন
আমাদের উন্নত সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া মহাদেশে যাওয়ার ফ্লাইট খুঁজে নিন। আমরা শত শত এয়ারলাইনস তুলনা করে আপনাকে সেরা ডিল দিতে সাহায্য করি।














অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া ফ্লাইটের দাম কত?
এই বিভাগে আমরা অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া রুটে ফ্লাইটের সময়কাল এবং টিকিট বুকিংয়ের সেরা সময় সম্পর্কে তথ্য প্রদান করি যাতে আপনি সাশ্রয়ী মূল্যে ভ্রমণ করতে পারেন।
অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া সস্তা ফ্লাইট ডিল
অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া রুটে সস্তা ফ্লাইট এবং সেরা ডিলগুলো দেখুন। আমরা বিভিন্ন এয়ারলাইনসের টিকিটের দাম তুলনা করে আপনাকে সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে টিকিট বুকিং করতে সাহায্য করি। ওশেনিয়ার বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের জন্য সেরা অফারগুলো এখানে পাবেন।
অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া যাওয়ার বিমান টিকিট বুক করার সেরা সময়
অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া রুটের বিমানের টিকিট চেক করলে দেখা যায় যে যাত্রার অন্তত দুই থেকে তিন মাস আগে বুকিং করলে সবচেয়ে সাশ্রয়ী মূল্য পাওয়া যায়। TICKETS.BD এর তথ্য অনুযায়ী, শেষ মুহূর্তে বুকিং করলে খরচ অনেক বেড়ে যেতে পারে। আগেভাগে পরিকল্পনা করলে আপনি অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া যাওয়ার সবচেয়ে কম দামের টিকিট নিশ্চিত করতে পারবেন এবং পছন্দের আসন বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
আপনি কি অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া ভ্রমণের জন্য প্রস্তুত?
শত শত এয়ারলাইন্স থেকে সেরা ডিল খুঁজে এখনই আপনার টিকিট বুক করুন।
অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া মহাদেশের সেরা আকর্ষণগুলো কী কী?
অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া মহাদেশের বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শনগুলো পর্যটকদের মুগ্ধ করে। সিডনি অপেরা হাউস থেকে শুরু করে নিউজিল্যান্ডের ফjordল্যান্ড পর্যন্ত, প্রতিটি স্থানই অনন্য। এই অঞ্চলের জনপ্রিয় গন্তব্যগুলো ভ্রমণের জন্য ব্যবহারিক তথ্য এবং টিপস নিচে বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো যা আপনার পরিকল্পনাকে সহজ করবে।
বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া বিমান টিকিট বুকিং সম্পর্কে সাধারণ জিজ্ঞাসা
অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া সস্তা বিমান টিকিট পেতে ভ্রমণের অন্তত দুই থেকে তিন মাস আগে বুকিং করা বুদ্ধিমানের কাজ। TICKETS.BD এর মতো প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের দাম তুলনা করে আপনি সেরা ডিল খুঁজে পেতে পারেন। অফ-পিক সিজনে ভ্রমণ করলে এবং নমনীয় তারিখ নির্বাচন করলে অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া রুটে সস্তা ফ্লাইট পাওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়।
ঢাকা থেকে অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া সস্তা বিমান টিকিট পেতে আপনি অনলাইনে TICKETS.BD ব্যবহার করতে পারেন। আমরা শত শত এয়ারলাইন এবং ট্রাভেল সাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আপনাকে সবচেয়ে কম দামের টিকিট দেখাই। আমাদের প্ল্যাটফর্মে প্রাইস অ্যালার্ট সেট করে রাখলে দাম কমলে আপনি সাথে সাথে নোটিফিকেশন পাবেন।
বাংলাদেশ থেকে এই রুটে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স, ক্যাথে প্যাসিফিক, মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স এবং এমিরেটস অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই এয়ারলাইনগুলো চমৎকার সেবা এবং নিয়মিত অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া ভ্রমণের বিমান টিকিট অফার প্রদান করে। আপনি আপনার বাজেট এবং সুবিধার ওপর ভিত্তি করে সরাসরি বা কানেক্টিং ফ্লাইট বেছে নিতে পারেন।
TICKETS.BD একটি ফ্লাইট অ্যাগ্রিগেটর হিসেবে কাজ করে। আমরা সরাসরি টিকিট বিক্রি করি না, বরং শত শত এয়ারলাইন এবং বুকিং সাইট যেমন Expedia, Trip.com এবং বিভিন্ন লোকাল পার্টনারদের থেকে তথ্য সংগ্রহ করি। এর ফলে ব্যবহারকারীরা এক জায়গাতেই সব অপশন দেখতে পান এবং সবচেয়ে সাশ্রয়ী অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া এয়ারলাইন টিকিট বুকিং করতে পারেন।
না, TICKETS.BD আপনার টিকিটের মূল্যের ওপর কোনো অতিরিক্ত ফি বা মার্কআপ যোগ করে না। আমরা এয়ারলাইন এবং বুকিং সাইটগুলোর কাছ থেকে কমিশন পাই কারণ আমরা তাদের প্ল্যাটফর্মে ট্রাফিক পাঠাই। আপনি স্ক্রিনে যে দামটি দেখেন, সেটি সরাসরি আমাদের পার্টনার সাইট থেকে আসা প্রকৃত মূল্য।
বর্তমানে ঢাকা থেকে অস্ট্রেলিয়া বা ওশেনিয়ার কোনো দেশে সরাসরি ফ্লাইট নেই। অধিকাংশ ফ্লাইটে সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর বা ব্যাংককে যাত্রাবিরতি থাকে। তবে কানেক্টিং ফ্লাইটের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। TICKETS.BD তে আপনি ফ্লাইটের সময়সূচী এবং ট্রানজিট সময় দেখে টিকিট কিনতে পারবেন।
অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া ফ্লাইটের টিকিট তুলনা করলে আপনি একই রুটে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের দামের পার্থক্য বুঝতে পারেন। অনেক সময় দেখা যায় এক এয়ারলাইন অন্যটির চেয়ে অনেক কম দামে টিকিট দিচ্ছে। TICKETS.BD আপনাকে এই তুলনা করতে সাহায্য করে যাতে আপনি আপনার কষ্টের উপার্জিত অর্থ সাশ্রয় করতে পারেন।
হ্যাঁ, মাঝে মাঝে এয়ারলাইনগুলো অবিক্রিত আসন পূর্ণ করতে শেষ মুহূর্তে বড় ডিসকাউন্ট দেয়। তবে এটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। আপনি যদি নিশ্চিতভাবে ভ্রমণ করতে চান, তবে আগেভাগে বুকিং করাই ভালো। জরুরি প্রয়োজনে আমাদের সাইটে নিয়মিত চেক করলে আপনি অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া রুটে কম খরচে ভ্রমণ করার সুযোগ পেতে পারেন।
অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া রিটার্ন টিকিট প্রাইস নির্ভর করে আপনি কত আগে বুকিং করছেন এবং কোন সিজনে যাচ্ছেন তার ওপর। সাধারণত রিটার্ন টিকিট কাটলে ওয়ান ওয়ে টিকিটের তুলনায় খরচ কিছুটা কম পড়ে। সঠিক দাম জানতে TICKETS.BD তে আপনার ভ্রমণের তারিখ দিয়ে সার্চ করুন এবং বর্তমান বাজার দর যাচাই করুন।
এয়ারলাইন্সগুলো প্রতিনিয়ত তাদের দাম পরিবর্তন করে, তাই কোনো স্থায়ী প্রাইস লিস্ট থাকে না। তবে TICKETS.BD তে আপনি রিয়েল-টাইম ডাটা দেখতে পাবেন। আমাদের সার্চ রেজাল্টে আপনি সব এয়ারলাইন্সের দামের একটি তালিকা পাবেন যা থেকে আপনি আপনার বাজেটের মধ্যে সেরাটি বেছে নিতে পারবেন।
বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া ভ্রমণের সম্পূর্ণ গাইড
অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া মহাদেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য সঠিক প্রস্তুতি প্রয়োজন। এই নির্দেশিকাটি আপনাকে ভিসা, যাতায়াত এবং স্থানীয় রীতিনীতি বুঝতে সাহায্য করবে যাতে আপনার ভ্রমণ আনন্দদায়ক হয়।
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়ার অধিকাংশ দেশে ভ্রমণের জন্য আগে থেকেই ভিসা সংগ্রহ করতে হয়। অস্ট্রেলিয়ার জন্য সাধারণত সাবক্লাস ৬০০ ভিজিটর ভিসা প্রয়োজন, যা অনলাইনে আবেদন করা যায়। নিউজিল্যান্ডের জন্যও একই ধরনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। তবে ফিজি বা ভানুয়াতুর মতো কিছু দ্বীপ রাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসার সুবিধা থাকতে পারে। আবেদনের সময় আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ছয় মাস থাকা নিশ্চিত করুন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণপত্র সাথে রাখুন। ভিসার নিয়মাবলী ঘনঘন পরিবর্তিত হয়, তাই ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের ওয়েবসাইট থেকে বর্তমান তথ্য যাচাই করে নেওয়া জরুরি। সঠিক নথিপত্র থাকলে আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মতো বড় দেশগুলোতে এক শহর থেকে অন্য শহরে যাওয়ার জন্য অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সময় সাশ্রয়ী। সিডনি বা মেলবোর্নের মতো শহরগুলোতে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট যেমন ট্রেন, বাস এবং ফেরি অত্যন্ত উন্নত। ওশেনিয়ার দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোতে চলাচলের জন্য ছোট বিমান বা নৌকা ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশে যেমন রিকশা বা সিএনজি জনপ্রিয়, সেখানে উবার বা স্থানীয় ট্যাক্সি অ্যাপ বেশি কার্যকর। অনেক পর্যটক গাড়ি ভাড়া করে ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করেন, তবে মনে রাখবেন সেখানে রাস্তার বাম পাশ দিয়ে গাড়ি চালানো হয়। বড় শহরগুলোতে স্মার্ট কার্ড ব্যবহার করে সহজেই গণপরিবহনে ভাড়া মেটানো যায়। যাতায়াতের পরিকল্পনা আগে থেকে করলে সময় এবং অর্থ দুই-ই সাশ্রয় করা সম্ভব।
অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়ার মানুষ সাধারণত খুব বন্ধুসুলভ এবং খোলামেলা প্রকৃতির হয়। তবে স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি বা মাওরি ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো পবিত্র স্থানে প্রবেশের আগে অনুমতি নেওয়া এবং ছবি তোলার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করুন। সেখানে টিপিং বা বকশিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়, তবে ভালো সেবার জন্য সামান্য টিপস দেওয়া যেতে পারে। পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে তারা খুব সচেতন, তাই যত্রতত্র ময়লা ফেলা থেকে বিরত থাকুন। সমুদ্র সৈকতে যাওয়ার সময় স্থানীয় পোশাকের নিয়ম মেনে চলুন। বাংলাদেশিদের জন্য সেখানকার খাদ্যাভ্যাস কিছুটা ভিন্ন হতে পারে, তবে বড় শহরগুলোতে প্রচুর হালাল খাবারের দোকান এবং এশিয়ান রেস্তোরাঁ পাওয়া যায়। স্থানীয়দের সাথে কথা বলার সময় সৌজন্য বজায় রাখুন।
পর্যটকদের জন্য অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া বেশ নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। তবে জনাকীর্ণ স্থানে পকেটমার বা ছোটখাটো চুরি সম্পর্কে সতর্ক থাকা উচিত। অপরিচিত কারো দেওয়া পানীয় বা খাবার গ্রহণ করবেন না। অনেক সময় ট্যাক্সি চালকরা বেশি ভাড়া দাবি করতে পারে, তাই মিটার দেখে বা অ্যাপ ব্যবহার করে যাতায়াত করা নিরাপদ। সমুদ্র সৈকতে সাঁতার কাটার সময় লাইফগার্ডের নির্দেশনা এবং পতাকার সংকেত মেনে চলুন, কারণ সমুদ্রের ঢেউ বিপজ্জনক হতে পারে। আপনার পাসপোর্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ দলিলের ফটোকপি আলাদা জায়গায় রাখুন। কোনো সমস্যায় পড়লে স্থানীয় জরুরি নম্বর যেমন জিরো জিরো জিরো (০০০) এ কল করুন। ভ্রমণের আগে একটি নির্ভরযোগ্য ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স করিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়ার আবহাওয়া ঋতুভেদে ভিন্ন হয়। আমাদের দেশে যখন গরম, সেখানে তখন শীতকাল হতে পারে। তাই ভ্রমণের আগে আবহাওয়া পরীক্ষা করে পোশাক নিন। রোদ থেকে বাঁচতে সানস্ক্রিন, হ্যাট এবং সানগ্লাস অবশ্যই সাথে রাখুন। ওশেনিয়ার দ্বীপগুলোতে প্রচুর বৃষ্টি হতে পারে, তাই একটি হালকা রেইনকোট বা ছাতা রাখা ভালো। সেখানে ইউনিভার্সাল অ্যাডাপ্টার বা টাইপ-আই প্লাগ প্রয়োজন হয়, যা বাংলাদেশ থেকে নিয়ে যেতে পারেন। আরামদায়ক হাঁটার জুতো সাথে রাখুন কারণ আপনাকে প্রচুর হাঁটতে হতে পারে। প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং প্রাথমিক চিকিৎসার কিট সাথে রাখা জরুরি। TICKETS.BD এর পক্ষ থেকে পরামর্শ হলো, সিডনি অপেরা হাউসের সামনে একটি সূর্যাস্তের ছবি তুলতে ভুলবেন না, যা আপনার ভ্রমণের সেরা স্মৃতি হয়ে থাকবে।
কোন এয়ারলাইনসগুলো বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া রুটে চলাচল করে?
বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া যাওয়ার সস্তা বিমান টিকিট খুঁজে পেতে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যে তুলনা করা জরুরি। এই রুটে সরাসরি ফ্লাইটের অভাব থাকলেও কানেক্টিং ফ্লাইটের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে ভ্রমণ সম্ভব। সঠিক এয়ারলাইন নির্বাচন আপনার ভ্রমণ খরচ অনেক কমিয়ে আনতে পারে।
অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া মহাদেশের সকল দেশ যেখানে আপনি উড়াল দিতে পারেন
অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া মহাদেশে যাওয়ার ফ্লাইট এখন আগের চেয়ে অনেক সহজলভ্য। প্রশান্ত মহাসাগরের নীল জলরাশি আর দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি উপভোগ করতে আজই আপনার টিকিট বুক করুন।
বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়া যাওয়ার ২০টি জনপ্রিয় রুট
বাংলাদেশ থেকে ওশেনিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন গন্তব্যে ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় রুটগুলো নিচে দেওয়া হলো। এই টেবিলটি আপনাকে ফ্লাইটের সময়কাল, এয়ারলাইনস এবং ভিসার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা পেতে সাহায্য করবে।
| ফ্লাইট রুট | সংক্ষিপ্ত বিবরণ | ফ্লাইটের দূরত্ব | ভ্রমণ সময় | স্থানীয় সময় অঞ্চল | উপলব্ধ এয়ারলাইন্স | ট্রানজিট বিবরণ | ভ্রমণের উপযুক্ত সময় | ভিসা প্রয়োজনীয়তা |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ঢাকা → সিডনি | 💸 AUD ইংরেজি | ৯,০৭০ কিমি | ১৪ ঘণ্টা ৩০ মিনিট | +৫ ঘণ্টা | Singapore Airlines, SriLankan Airlines, Malaysian Airlines | ১টি বিরতি | বসন্ত ও শরৎ | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → মেলবোর্ন | 💸 AUD ইংরেজি | ৯,১২০ কিমি | ১৫ ঘণ্টা | +৫ ঘণ্টা | Qantas, Cathay Pacific, Thai Airways | ১টি বিরতি | বসন্ত ও শরৎ | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → অকল্যান্ড | 💸 NZD ইংরেজি, মাওরি | ১১,৭৫০ কিমি | ১৮ ঘণ্টা | +৭ ঘণ্টা | Singapore Airlines, Emirates, Qatar Airways | ১-২টি বিরতি | গ্রীষ্মকাল | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → পার্থ | 💸 AUD ইংরেজি | ৬,৯৫০ কিমি | ১১ ঘণ্টা | +২ ঘণ্টা | AirAsia, Malindo Air, Singapore Airlines | ১টি বিরতি | বসন্ত | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → ব্রিসবেন | 💸 AUD ইংরেজি | ৯,৩০০ কিমি | ১৫ ঘণ্টা ২০ মিনিট | +৪ ঘণ্টা | Singapore Airlines, Cathay Pacific | ১টি বিরতি | শীতকাল | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → অ্যাডিলেড | 💸 AUD ইংরেজি | ৮,৬০০ কিমি | ১৬ ঘণ্টা | +৪.৫ ঘণ্টা | Qatar Airways, Singapore Airlines | ১টি বিরতি | শরৎ | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → ক্রাইস্টচার্চ | 💸 NZD ইংরেজি | ১১,৯০০ কিমি | ১৯ ঘণ্টা | +৭ ঘণ্টা | Singapore Airlines, Emirates | ২টি বিরতি | গ্রীষ্মকাল | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → ফিজি (নাদি) | 💸 FJD ইংরেজি, ফিজিয়ান | ১১,২০০ কিমি | ২০ ঘণ্টা | +৬ ঘণ্টা | Fiji Airways, Singapore Airlines | ২টি বিরতি | শুষ্ক মৌসুম | অন অ্যারাইভাল |
| ঢাকা → পোর্ট মোর্সবি | 💸 PGK ইংরেজি, তোক পিসিন | ৭,৮০০ কিমি | ১৪ ঘণ্টা | +৪ ঘণ্টা | Air Niugini, Philippine Airlines | ১টি বিরতি | শুষ্ক মৌসুম | ভিসা প্রয়োজন |
| চট্টগ্রাম → সিডনি | 💸 AUD ইংরেজি | ৯,১০০ কিমি | ১৬ ঘণ্টা | +৫ ঘণ্টা | Singapore Airlines, Malaysian Airlines | ২টি বিরতি | বসন্ত | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → ক্যানবেরা | 💸 AUD ইংরেজি | ৯,১৩০ কিমি | ১৭ ঘণ্টা | +৫ ঘণ্টা | Singapore Airlines, Qantas | ২টি বিরতি | শরৎ | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → ওয়েলিংটন | 💸 NZD ইংরেজি | ১১,৮৫০ কিমি | ২০ ঘণ্টা | +৭ ঘণ্টা | Singapore Airlines, Air New Zealand | ২টি বিরতি | গ্রীষ্মকাল | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → ডারউইন | 💸 AUD ইংরেজি | ৬,২০০ কিমি | ১০ ঘণ্টা ৩০ মিনিট | +৩.৫ ঘণ্টা | Singapore Airlines, Jetstar | ১টি বিরতি | শুষ্ক মৌসুম | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → গোল্ড কোস্ট | 💸 AUD ইংরেজি | ৯,৩৫০ কিমি | ১৪ ঘণ্টা | +৪ ঘণ্টা | AirAsia, Scoot | ১টি বিরতি | শীতকাল | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → হোনিয়ারা | 💸 SBD ইংরেজি | ৯,৮০০ কিমি | ১৭ ঘণ্টা | +৫ ঘণ্টা | Solomon Airlines, Qantas | ২টি বিরতি | শীতকাল | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → আপিয়া | 💸 WST সামোয়ান, ইংরেজি | ১২,৪০০ কিমি | ২২ ঘণ্টা | +৭ ঘণ্টা | Fiji Airways, Air New Zealand | ২টি বিরতি | শুষ্ক মৌসুম | ভিসা মুক্ত ৬০ দিন |
| ঢাকা → নুমেয়া | 💸 XPF ফরাসি | ১০,৫০০ কিমি | ১৮ ঘণ্টা | +৫ ঘণ্টা | Aircalin, Qantas | ২টি বিরতি | শরৎ | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → কুইন্সটাউন | 💸 NZD ইংরেজি | ১১,৬০০ কিমি | ২০ ঘণ্টা | +৭ ঘণ্টা | Qantas, Jetstar | ২টি বিরতি | শীতকাল | ভিসা প্রয়োজন |
| ঢাকা → পোর্ট ভিলা | 💸 VUV বিসলামা, ইংরেজি | ১০,৮০০ কিমি | ১৯ ঘণ্টা | +৫ ঘণ্টা | Air Vanuatu, Fiji Airways | ২টি বিরতি | শীতকাল | ভিসা মুক্ত ৩০ দিন |
| ঢাকা → কেয়ার্নস | 💸 AUD ইংরেজি | ৭,৯০০ কিমি | ১৩ ঘণ্টা | +৪ ঘণ্টা | SilkAir, Jetstar | ১টি বিরতি | শীতকাল | ভিসা প্রয়োজন |
TICKETS আইওএস অ্যাপ ডাউনলোড করুন এবং বাংলাদেশ থেকে এবং বিশ্বব্যাপী হাজারো ফ্লাইট অফার তাৎক্ষণিকভাবে দেখুন। শীর্ষ এয়ারলাইন্স এবং ভ্রমণ সেবা প্রদানকারীদের দাম তুলনা করুন, সবকিছু এক জায়গায়, বিশেষভাবে বাংলাদেশের ভ্রমণকারীদের জন্য ডিজাইন করা।









